যে তেজগাও ট্রাক স্ট্যান্ড কোন সরকার হঠানোর সাহস পায় নাই, সেই ট্র্যাক মাফিয়া দের চোখের নিমিষেই হঠিয়ে দিয়েছিলেন এবং জীবনের নিরাপত্তার কথা ভুলে গিয়ে সেখানে প্রায় আধাদিন অবরুদ্ধ থেকেছিলেন।
যেই গুলশান লেক এর সামনে দিয়ে মানুষ চলাচল করতে গেলে নাকে হাত চেপে যাওয়া লাগতো, সে লেক তিনি নিমিষেই ভুমিদস্যু দের কাছ থেকে উদ্ধার করে স্বয়ং সরকারকে দেখিয়ে দিয়েছিলেন ভালো কাজ করতে শুধু স্বদিচ্ছা লাগে!
যেসব খাল বছরের পর বছর ধরে দখলদার দের অধীনে ছিলো সেই জায়গায় ধুম করে গিয়ে সব ভেংেচূড়ে দিয়ে দখলমুক্ত করেছিলেন।
গুলশান বনানী তে বড় বড় ভিভিআইপি, মন্ত্রী, এমপি এবং সরকারী আমলাদের বাড়ির প্রাচীরে হাতুড়ির আঘাত তিনিই প্রথম করেছিলেন!
যেই নতুন বাজার দিয়ে আসা যাওয়া করার সময় ডাস্টবিন এর গন্ধে মানুষ অজ্ঞ্যান হয়ে যেত সেই ডাস্টবিন সেখান থেকে হটিয়ে দখল হয়ে যাওয়া যায়গা উদ্ধার এবং রাস্তা সম্প্রসারন করে জায়গা টিকে আন্তর্জাতিক মানের এক সড়কে রুপান্তরিত তিনিই করেছিলেন!
অবৈধ পারকিং রোধে আইনের প্রয়োগ এমনভাবে নিশ্চিত করেছিলেন যে সিএনজি ওয়ালা থেকে শুরু করে, মোটরসাইকেল চালক এবং প্রাইভেট কার চালক দের মনে আতংক বিরাজ করতো এই ভেবে যে এই বোধয় তাদের গাড়ি ডাম্পিং দিলো!
ঢাকা-চাকা পরিবহন সারভিস তিনিই এনেছিলেন এই এরিয়া তে। গুলশান এরিয়া তে সিএনজি ওয়ালা দের একচেটিয়া ডাকাতি তে মানুষ যখন দিশেহারা তখন তিনি ঢাকা-চাকা নিয়ে এসে একটা অনেক বড় উপকার করে দিলেন এই রাস্তায় চলাচলকারী মানুষদের!
এমন অনেক কাজ তিনি করেছিলেন যা পুরোটা আমরা হয়তো জানি না। মাত্র ২ বছর মেয়রের দায়িত্বে ছিলেন তিনি, এই দুই বছরে তিনি প্রমান করে দিয়েছিলেন তিনি চোর রাজনীতিকদের মত শাসন করতে আসেননি, তিনি এসেছিলেন জনগনের প্রতিনিধি হয়ে তাদের উপকার করতে!
ওপারে ভালো থাকবেন প্রিয় মেয়র, প্রিয় মানুষ

No comments:
Post a Comment